ফ্রান্সে ভোজ্য তেলের তীব্র সং’ক’ট দেখা দিয়েছে। খুচরা বাজার থেকে পাইকারি সর্বত্রই একই চিত্র। ইউক্রেন-রাশিয়া যু;দ্ধ শুরুর পরপরই তেলের ঘাটতি দেখা দেয়। রমজান মাস উপলক্ষে দেশটিতে তেলের তীব্র সং;ক;ট দেখা দিয়েছে।

ইউরোপের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক মুসলমানের বসবাস ফ্রান্সে। যাদের মধ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সংখ্যা উল্লেখজনক। রমজানের ইফতারি আয়োজনে অতিরিক্ত তেলের প্রয়োজন হওয়ায় চলতি মাসে সংকট তীব্র হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

প্যারিস ও আশপাশ এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ সুপারশপে তেলের তাকগুলো খালি পড়ে আছে। কোথাও একজন ক্রেতাকে এক লিটারের বেশি তেল নিতে বারণ করে নোটিশ টানানো হয়েছে।

প্যারিসে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি শাহীন খন্দকার জানান, অতিরিক্ত মূল্য দিয়েও তেল কিনতে পারছেন না। ফলে এবারের ইফতার আয়োজনে অনেক আইটেমই বাদ দিতে হচ্ছে।

বিভিন্ন মুদি দোকান ঘুরে দেখা গেছে, এক লিটার সয়াবিন তেল সাড়ে ৪ ইউরো থেকে ৫ ইউরোতে বিক্রি হচ্ছে। যা সং;ক;ট সৃষ্টি হওয়ার আগে দেড় ইউরোরও কম ছিল।

বিশ্বের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সূর্যমুখী তেল উৎপাদনকারী দেশ ইউক্রেন। সংগত কারণেই তারা তেল রফতানি করতে পারছে না। আর এতে করে ফ্রান্স সং;ক;টের মুখে পড়েছে। খুব সহসাই এই সং;ক;ট কাটিয়ে উঠার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন একাধিক ব্যবসায়ী।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে টানা এক মাস ধরে উ;ত্তেজ;না চলার পর গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে আগ্রাসন চালায় রাশিয়া। এক মাসের বেশি সময় ধরে রাশিয়ার সেনাদের সঙ্গে ইউক্রেনের নিরাপত্তা বাহিনীর তীব্র লড়াই চলছে। দুই পক্ষের লড়াইয়ে বহু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে দেশটিতে। ইউক্রেন ছেড়ে পালিয়েছেন প্রায় ৩০ লাখ মানুষ।