অবশেষে বিশ্বকাপে প্রথম জয় পেল বাংলাদেশ । আজ
১০ রানেই ফিরে যেতে পারতেন। কিন্তু মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ সেই ক্যাচটা ধরতে পারেননি। সেখান থেকে যতিন্দর সিং রীতিমতো বিপদজনকই হয়ে উঠেছিলেন। তাকে ফেরালেন সাকিব আল হাসান।

দলেও কিছুটা স্বস্তি ফিরল তাতে। আগের ম্যাচেও খেলেছিলেন ৭০ রানের ইনিংস। এদিন জীবন পেয়েছেন ১০ রানে। সময় যত গড়াচ্ছিল, যতিন্দরকে নিয়ে শঙ্কাটা ততোই বাড়ছিল।

তবে চূড়ান্ত সর্বনাশা রূপ ধারণ করার আগে তাকে ফিরিয়েছেন সাকিব। তবে সাকিবের সে বলেও টাইমিংটা দারুণ হয়েছিল যতিন্দরের। ডিপ স্কয়ার লেগে লিটনের হাতে ধরা পড়েছেন ওমানি এই ব্যাটার। তাতে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহও কিছুটা স্বস্তি পাবেন বৈকি!

ওমানের স্কোর স্কোর-

রান: ১২৮

ওভার:২০

উইকেট: ০৯
ফলে বাংলাদেশ ২৬ রানে জয় পায় ।
এর আগে

১৫৪ রানের লক্ষ্য দিয়ে মাঠে নেমেছে টাইগাররা। প্রথম ওভারে তাসকিন যেভাবে উদার হস্তে ওয়াইড, লেগবাই রান দেয়া শুরু করেছিলেন, তাতে শঙ্কা জেগেছিল বৈকি। কিন্তু না, সেই শঙ্কা নিমিষে দুর করে দেয়ার চেষ্টা করলেন মোস্তাফিজুর রহমান। বোলিংয়ে অবশ্য প্রথম বলটাই দিয়েছিলেন ওয়াইড। পরের বলেই এলবিডব্লিউর জোরালো আবেদন। আম্পায়ার আঙ্গুল তুলে দিলেন। রিভিউ নিলেন ওমানের ব্যাটার আকিব ইলিয়াস। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারলেন না।

কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, মোস্তাফিজের মত বোলার ওই ওভারেই দিলেন ৫টি ওয়াইড। সম্প্রতি আইপিএল খেলে এসে ওমানের মত দলের বিপক্ষে এতটাই প্যানিকড হয়ে গেছে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা, যে তাতে ওয়াইডের মেলা বসিয়ে ফেলেছে।

শুরুতে তাসকিন দিয়েছিল ৪টি অতিরিক্ত রান। এরপর মোস্তাফিজ বোলিংয়ে এসে ৫ ওয়াইডসহ দিলেন মোট ১২ রান।

সাকিব আর সাইফউদ্দিনকে দিয়ে এই ওয়াইডের বন্যা কিছুটা থামিয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ৬ষ্ঠ ওভারে আবারও মোস্তাফিজকে ফিরিয়ে আনেন অধিনায়ক রিয়াদ। ’

ওভারের প্রথম বলেই ক্যাচ তুলে দেন জতিন্দর সিং। বল উপরে উঠে যায়। বোলারসহ তিন-চারজন সেটা ধরতে পারতেন। কিন্তু মাহমুদউল্লাহ এক্সট্রা কভার থেকে দৌড়ে এসে তা ধরতে গেলেন। কিন্তু বল পড়ে গেলো হাতের ফাঁক গলে।

এক বল পরেই ছক্কা। এরপর মোস্তাফিজের বল থেকে আর বাঁচতে পারলেন না কাস্যপ প্রজাপতি। নুরুল হাসানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন তিনি। ১৮ বলে করলেন ২১ রান।