উপসাগরীয় দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে আস্তে আস্তে ব্যবসায় ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন দেশি শ্রমিক সঙ্কটে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

দেশটিতে ভ্রমণ ভিসায় আসা বাংলাদেশিদের স্ট্যাটাস পরিবর্তন করে নিয়োগ ভিসা লাগানোর সুযোগ দেওয়ায় কর্মী শ্রমিক সঙ্কট নিরসনে অনেকেই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে এখন কিছুটা হলেও যেন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন।

এতে তাদের ব্যবসায় ঘুরে দাঁড়ানোর পাশাপাশি যেমন প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসতে শুরু করেছে, তেমনি নতুন করে কর্মসংস্থানও হয়েছে বা হচ্ছে ব্যাপক বাংলাদেশির।

আমিরাতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের মধ্যে বিভিন্ন ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছে বড় একটি অংশ।

দেশের সুনাম বৃদ্ধিতে দেশটিতে তারা গড়ে তুলেছেন বা তুলছেন হাইপার মার্কেট, সুপার মার্কেট, মুদি দোকান, গ্যারেজ, গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি, গার্মেন্টস রেডিমেড আইটেম ট্রেডিং, পারফিউমস ফ্যাক্টরি, স্টিল ওয়ার্কশপ, রিয়েল এস্টেট, এমব্রয়ডারি, বোরকার দোকান, প্রিন্টিং প্রেস ও হোটেল-রেস্তোরাঁসহ ছোট-বড় নানা রকম ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

তবে আমিরাতে দীর্ঘ প্রায় ৯ বছর ধরে বাংলাদেশিদের নতুন নিয়োগ ভিসা বন্ধ থাকায় দেশি শ্রমিক সঙ্কটে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালাতে গিয়ে চরম শোচনীয় পরিস্থিতি বিরাজ করছিল তাদের।

এর ফলে তারা তখন শ্রমিক নিয়োগে ঝুঁকে পড়ছিলেন ভারত, পাকিস্তান, নাইজিরিয়া, ইথিওপিয়া ও সুদানসহ বিভিন্ন দেশের দিকে।

তাই এখন দেশি শ্রমিক পেয়ে অনেকটাই খুশি প্রবাসী ব্যবসায়ীরা।

তবে বিভিন্ন কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ ভিসা লাগানোর সুযোগ থাকা সত্ত্বেও একশ্রেণীর আদম দালালের হাতে ভিজিট ভিসায় আসা লোকদের প্রতারিত হওয়া প্রসঙ্গে আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আবু জাফর সম্প্রতি দুবাইয়ে এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, আমিরাতে প্রতারণা সহ্য করা হবে না।

তিনি বলেন, দূতাবাসের অনুমতি নিয়ে আমিরাতে ভিজিট ভিসায় লোক এনে কাজ দেয়ার কথা বলে যারা কাজ না

দিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরাচ্ছেন বা অ;’ বৈধ করেছেন অথবা প্রতারিত করেছেন সেসব লোকদের সতর্ক করে বলেছেন, দূতাবাসের কাছে তাদের সবার রেকর্ড আছে।

ভুক্তভোগীরা দূতবাসে অভিযোগ করলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।