সৌদি ও আরব আমিরাত অবস্থান বদলেছে ইরান ইস্যুতে

সব সময় ইরানের ঘোর বিরোধী সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। কিন্তু পা;রমা;ণবিক চু;ক্তির ই;স্যুতে এখন তারা আগের অ;বস্থান থেকে সরে এসেছে। তারা ইরানের সঙ্গে সৃ;ষ্ট উ;ত্তেজ;না নিরসনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে নিরাপত্তা ই;স্যুকে আমলে নিয়ে ভ;বিষ্য;ত আলোচনার জ;ন্য তদবির চালিয়ে যাচ্ছে।

বিশ্ব শক্তিগুলো ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তখনকার প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময়ে ইরানের সঙ্গে করা পা;রমা;ণবিক চুক্তি পু;নরু;জ্জী;বিত করার চেষ্টা করছে। এ জন্য তারা ইরানের সঙ্গে ভিয়েনায় সমঝোতা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। ২০১৫ সালে সম্পাদিত চুক্তিতে তেহরান তার পা;রমা;ণবি;ক কর্মসূচি সীমিত করতে রাজি হয়েছিল। বিনিময়ে তাদের বি;রুদ্ধে আন্তর্জাতিক অবরোধ প্র;ত্যা;হার করা হয়েছিল।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নতুন প্রশাসন এই চুক্তিটি পুনরুজ্জীবিত করতে চায়। এর আগে চুক্তিটি থেকে ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে বের করে আনেন তখনকার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।

তবে ওয়াশিংটনের উপসাগরীয় মিত্ররা সবসময় বলে আসছে যে, এই চুক্তিটি যথার্থ ছিল না। কারণ এতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র রফতানি এবং আঞ্চলিক যোদ্ধা গোষ্ঠীগুলোকে ইরানের সমর্থন দেয়াসহ অন্যান্য ইস্যুগুলো অ;গ্রাহ্য করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন সোমবার স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই চুক্তিতে ফেরার বিষয়টি ওয়াশিংটনের অগ্রাধিকারে রয়েছে। এরপর তা অন্য সমস্যা সমাধানের জন্য প্ল্যাটফর্ম হিসাবে ব্যবহার করা হবে।

তবে ইয়েমেনের ব্য;য়বহুল যু;;দ্ধে জড়িয়ে পড়ে সৌদি আরব। ফলে তেল খনির অবকাঠামোতে বার বার ক্ষে;পণা;স্ত্র ও ড্রো;ন হা;মলা;র মুখোমুখি হয় সৌদি আরব। এর জন্য ইরান ও তার মিত্রদের দা;য়ী করা হয়। এসব ই;স্যুকে এড়িয়ে যাওয়া যাবে না।

সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে অতীতের সংলাপে সক্রিয় ছিলেন গাল্ফ রিসার্চ সেন্টারের আবদুল আজিজ সাগের। তিনি বলেছেন, উপসাগরীয় দেশগুলি বলেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র পা;রমা;ণবি;ক চুক্তিতে ফিরে যেতে পারে। এটি তাদের সিদ্ধান্ত। আমরা একে পরিবর্তন করতে পারি না। তবে আঞ্চলিক সুরক্ষার উদ্বেগকে বিবেচনায় নেয়া আমাদের সবার প্রয়োজন।

ইরান শুধু ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদেরই সমর্থন করে এমন না, তাদের হাতে প্রচুর কার্ড রয়েছে। সৌদি আরব ছয় বছরের যুদ্ধেও এই হুতিদের পরাজিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। যা ওয়াশিংটনকে ধৈর্যহারা করে দিয়েছিল। সাগের বলেন, ইরানের জন্য একটি সস্তা জায়গা হলো ইয়েমেন। অন্যদিকে সৌদি আরবের জন্য তা ব্য;য়ব;হুল।

এটি ইরানকে একটি শক্তিশালী অবস্থান এনে দিয়েছে। তৃতীয় আঞ্চলিক একটি সূত্র জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত ইতিমধ্যে ইরানের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত রাখার চেষ্টা করছে। ২০১২ সালে তার উপকূলে ট্যাং;কা;রে আ;ক্রম;ণ করা হয়েছিল। ওই হা;মলা;র পরে তাদের মধ্যে উ;ত্তেজ;না দেখা দেয়।

সেই উ;ত্তেজ;না কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এখন অগ্রাধিকার হল তাদের অর্থনীতির উপর দৃ;ষ্টি নিবদ্ধ করা। তবে সুরক্ষা নিশ্চয়তা সেই পু;নরু;দ্ধারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ।

ওয়াশিংটনে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ আল ওতাইবা এপ্রিলে বলেছিলেন যে, পা;রমা;ণবি;ক চুক্তি ইরানে ম;ধ্যপন্থি;দের ক্ষ;মতা;য়নের একটি হা;তিয়া;র হয়ে উঠবে ।