বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ২৩তম ম্যাচে ফরচুন বরিশালের বিপক্ষে সিলেট স্ট্রাইকার্সের হয়ে জ্বলমলে এক ইনিংস খেলেছেন নাজমুল হাসান শান্ত। ১১টি চার ও ১টি ছয়ে ৬৬ বলে সর্বোচ্চ ৮৯ রান করেন শান্ত। তার ব্যাটে ভর করে প্রথমে ব্যাটিং করা সিলেট স্ট্রাইকার্স নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ১৭৩ রান ।

সিলেটের ছুড়ে দেওয়া টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৭১ রানে শেষ হয় বরিশালের ইনিংস। ফলে ২ রানের হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় সাকিবের দলকে। ব্যাট হাতে উজ্জল থাকায় ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন নাজমুল হাসান শান্ত।

চলতি আসরে শুরু থেকেই হাসছে শান্তর ব্যাট। প্রতি ম্যাচেই রানের দেখা পাচ্ছেন তিনি। তবুও তাকে নিয়ে সমালোচকদের সমালোচনা থামছেই না। বিষয়টি কিভাবে দেখেন এই ব্যাটার? প্রেস কনফারেন্সে শান্ত বললেন- এটা তার হাতে নেই,

‘পরিবর্তন হবে কিনা তা তো বলতে পারব না। এটা যার যার চিন্তাভাবনা থেকে বলে। এটা আসলে নিয়ন্ত্রণ করতে পারব না। পরিবর্তন হবে কি হবে না- এটা নিয়ে আমি বেশি চিন্তিতও না। যদি হয় আলহামদুলিল্লাহ, যদি না হয় আমার কিছু করার নাই। এটা যার যার চিন্তা থেকে বলে।’

ট্রোল করা, সমালোচনা করা- কীভাবে তিনি এই কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করেন? জবাবে সিলেটের এই তারকা ব্যাটার বলেন, ‘এটা (ট্রোল) আমার জন্য যতটা না কঠিন তার চেয়ে বেশি কঠিন আমার পরিবারের জন্য।

কারণ, সত্যিকার অর্থে আমারও তো পরিবার আছে। আমি যেভাবে বুঝি আমার পরিবার তো সেভাবে বুঝে না। তারা কষ্ট পায়, তাদেরও খারাপ লাগে, কারণ তারা বাইরে যায়।’

পরিবার বিব্রত হওয়ায় তার কষ্টটা বেশি হয় বলে জানান শান্ত, ‘এ কারণেই আমি মাঝেমধ্যে একটু আপসেট হয়েছি। আমারও খারাপ লেগেছে। কিন্তু যেটা বললাম, এটা তো আমি কন্ট্রোল করতে পারব না।

অনেকেই না জেনে না বুঝে কথা বলে ফেলে, টিমের প্ল্যান বা আমার নিজস্ব প্ল্যান এবং আমি কতটা পরিশ্রম করি, সেটা তো অনেকেই জানে না। জানার প্রয়োজনও নেই। আসলে যেটা বললাম, আমি যত কথা বলব কথা বলাই হবে। এটা যার যার চিন্তাভাবনা, জেনে- বুঝে কথা বললে ভালো। আমি এটা বলছি না যে, আমাকে নিয়ে সমালোচনা করা যাবে না। আমি খারাপ খেললে অবশ্যই সমালোচনা হবে। তবে আরেকটু ডিসেন্ট ওয়েতে হতে পারত। যেটা আমার ফ্যামিলির জন্য ভালো হতো।’