মোফার অনুমতিতে কেবল তিন শ্রেণির বাংলাদেশী প্রবাসী ফিরতে পারবেন ওমান

ক’রোনা প’রিস্থিতিতে দেশে আ’টকে থাকা প্রবাসীদের ওমান ফিরে আসতে ঢাকাস্থ ওমান দূতাবাস থেকে অনাপত্তি সনদ (এনওসি) বা অনুমতি দেওয়ার ব্যাপারটি সঠিক নয়।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের ওমানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে (মোফা) ই-মেইলে আবেদন করে অনুমতি নিতে হবে। আপাতত তিন ক্যাটাগরি বা শ্রেণির প্রবাসীদের ওমানে ফেরার অ’নুমতি দিচ্ছে সালনাতের মোফা।

রবিবার (৯ আগস্ট) ঢাকায় গুলশানে ওমান দূতাবাসের আগত প্রবাসীদের উদ্দেশ্যে এ তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশে ওমানের চার্জ দ্যা এফেয়ার্স (মিশন প্রধান) তায়েব সেলিম আল আলাওয়ি।

‘ঢাকা দূতাবাস থেকে ওমান ফেরার অনুমতি বা এনওসি দেওয়া হবে’অনলাইন পোর্টাল ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত এমন তথ্যের ভিত্তিতে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী রবিবার সকালে দূতাবাসের সামনে জড়ো হলে চার্জ দি এফেয়ার্স নিজে বাইরে এসে তাদের এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন।

তিনি প্রবাসীদের ফেইক নিউজ বা ভু’য়া খবর-গু’জবে বিশ্বাস না রাখতে বিনীতভাবে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ওমান এবং বাংলাদেশে একই ক’রোনা পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সেখানকার বিমানবন্দর যেমন বন্ধ আছে তেমনি এখানকার বিমানবন্দরও বন্ধ আছে।

বাংলাদেশ এবং ওমানের মধ্যে এখনও কোন নিয়মিত ফ্লাইট চালু হয়নি। তাই বিশেষ ফ্লাইট ছাড়া কোন বাংলাদেশি এখন ওমানে যেতে পারবেন না।

চার্জ দ্যা এফেয়ার্স জানান, বিশেষ ফ্লাইটে ওমান ফিরতে তিন ক্যাটাগরির প্রবাসীকে অনুমতির জন্য বিবেচনা করবে ওমানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে রয়েছে;

১. ওমানে সরকারি এবং বেসরকারি পর্যায়ের নিয়োজিত বাংলাদেশি চি’কিৎসক ও না’র্স, যাদের ক’রোনা মোকাবেলার স্বার্থে ওমান ফেরার অনুমতি দেওয়া হবে। পাশাপাশি তাদের পরিবারকেও এ সুযোগ দেওয়া হবে।

২. যেসব প্রবাসী বাংলাদেশি ওমানে বিনিয়োগ করেছেন তাদের অনুমতি দেওয়া হবে।

৩. যাদের পরিবার ওমানে রয়ে গেছেন কিন্তু ক’রোনা পরিস্থিতিতে দেশে আ’টকে থাকার কারণে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেন তাদের আবেদন বিবেচনায় নেওয়া হবে।

এই তিন ক্যাটাগরির প্রবাসীদের বৈধ ভিসা ও মেয়াদী পাসপোর্ট থাকতে হবে এবং তাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ওমান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইমেইল ([email protected]) আবেদন করতে হবে।

তিনি আরও জানান, যারা ৬ মাসের বেশি সময় বাংলাদেশে আছেন তাদের ক্ষেত্রে ভিসা বাতিল হবে না। তবে যাদের ভিসার মে’য়াদ শেষ হয়েছে তারা নিয়োগকারি প্রতিষ্ঠান বা স্পন্সরকে নিজেদের সব প্রয়োজনীয় নথি পাঠাতে হবে। প্রবাসীর পক্ষে নিয়োগকারি প্রতিষ্ঠানই ভিসা নবায়নের সব প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন।