দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের খুচরা ও পাইকারি বাজারে এক সপ্তাহের ব্যবধানে কমেছে ভারতীয় এবং দেশীয় পেঁয়াজের দাম। ভারতীয় পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ৬-৮ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ২২ টাকায় এবং দেশি পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ১০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ২৬ টাকা কেজি দরে।

দেশী পেঁয়াজের সরবরাহ বৃদ্ধির কারণে কমেছে সব ধরনের পেঁয়াজের দাম, বলছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা। পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমাতে স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে। তবে রসুনের দাম ঈদের পর থেকে কেজিপ্রতি ৩০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়।

হিলি বাজারে কাঁচাবাজার করতে আসা মফিজুলের সঙ্গে কথা হয়, তিনি বলেন, পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমেছে। তবে রসুনের দাম হঠাৎ করে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজারে যে জিনিসের দাম বৃদ্ধি হচ্ছে সেই দ্রব্যমূল্যের দাম কমছে না। তেল, চিনি, ময়দা, চাল, ডালসহ নানা পণ্যের দাম বেশি। আমরা গরিব মানুষ। কিভাবে চলব।

পেঁয়াজ বিক্রেতা কোরবান আলী জানান, এক সপ্তাহের ব্যবধানে হিলি বাজারে ভারতীয় ও দেশি পেঁয়াজের দাম কমেছে। দেশের বাজারে প্রচুর পরিমাণ দেশি পেঁয়াজের সরবরাহ রয়েছে। যার জন্য দাম আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আগের মতো আর বিক্রি হয় না। রসুনের দাম ঈদের পর থেকেই বেশি, আদার দাম আগের মতোই রয়েছে।