বনভূমি বায়ুমণ্ডলের কার্বন ডাই-অক্সাইড শো;ষ;ণ করে নেয়। কার্বন ডাই-অক্সাইডই বৈশ্বিক উষ্ণায়নের অন্যতম বড় প্রভাবক। ফলে, গাছ কাটার বিরূপ প্রভাব পড়ে জলবায়ুতে।

ব্যক্তি মালিকানায় লাগানো গাছ কাটতে অনুমতির বিধান রেখে ‘বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশন আইন ২০২২’-এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। অর্থাৎ বাড়িতে লাগানো স্থায়ী গাছ, কিংবা বাগানে লাগানো গাছ কাটতে সরকারের অনুমতি নিতে হবে।

সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বৈঠকে খসড়া আইনটি অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এই ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।

গণভবন প্রান্ত থেকে প্রধানমন্ত্রী এবং সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান। তিনি বলেন, এটার মাধ্যমে সব বনাঞ্চলকে প্রটেকশন দেওয়া হয়েছে।

সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে লাগানো যে গাছ রয়েছে সেগুলোও এর আওতায় আসবে। এখানে বুঝতে হবে, স্থায়ী গাছের কথা বলা হয়েছে। লাউ গাছ কাটতে কোনো সমস্যা নেই।

তিনি বলেন, ‘মানুষ যারা সাধারণ বাগান করবে বা স্থায়ী যে গাছ লাগাবে, সেগুলোও তারা তাদের ইচ্ছা মতো কাটতে পারবে না। পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই এরকম নিয়ম আছে।’ সূত্রঃ বাংলাদেশি প্রতিদিন