সৌম্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় বদলি হিসেবে খুলনা টাইগার্সের স্কোয়াডে ডাক পেয়েছেন জুনিয়র তামিম, সুযোগ পেয়েছেন প্রথম ম্যাচের একাদশেও। আর মাঠে নেমেই উল্লেখযোগ্য ঘটনার সঙ্গে নিজের নাম জড়িয়ে ফেললেন তামিম।

শুক্রবার বিপিএলের উদ্বোধনী দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি মিনিস্টার ঢাকা ও খুলনা টাইগার্স। টস হেরে ব্যাট করতে নামা ঢাকার দুই বিদেশি ব্যাটার মোহাম্মদ শেহজাদ ও আন্দ্রে রাসেল সাজঘরে ফিরেছেন রানআউট হয়ে। প্রথমে শেহজাদ ফেরেন তামিমের থ্রোয়ে আর রাসেলকে ফেরান শেখ মেহেদি হাসান।

এ দুই রানআউটের মধ্যে রাসেলেরটিই ছিল পুরোপুরি বিরল একটি ঘটনা। থিসারা পেরেরার করা ইনিংসের ১৫তম ওভারের পঞ্চম বলে কাউ কর্নার দিয়ে বিশাল এক ছক্কা হাঁকান রাসেল। পরের বলেই রানআউট হয়ে সাজঘরে ফিরতে হয় তাকে।

থিসারার মিডল স্ট্যাম্পে থাকা স্লোয়ার ডেলিভারিটি থার্ড ম্যানের দিকে ঠেলে দিয়ে কুইক সিঙ্গেলের জন্য দৌড় দেন রাসেল ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। থার্ডম্যানে দাঁড়ানো মেহেদি বল ধরেই থ্রো করেন স্ট্রাইক প্রান্তের স্ট্যাম্পে, যা ভেঙে দেয় স্ট্যাম্প। তবে মাহমুদউল্লাহ পপিং ক্রিজে ঢুকে যাওয়ায় বেঁচে যান।

তবে স্ট্রাইক প্রান্তে স্ট্যাম্প ভাঙার পর সেই বলই আবার আঘাত হানে নন স্ট্রাইক প্রান্তের স্ট্যাম্পে। কিন্তু তার আগে পপিং ক্রিজে ঢুকতে পারেননি রাসেল। অপরপ্রান্তে তাকিয়ে থাকতে থাকতে নিজের উইকেটই হারিয়ে বসেন তিনি। আর এক থ্রোয়ে দুই স্ট্যাম্প ভেঙে বিরল রানআউটের জন্ম দেন মেহেদি।

এর আগে ইনিংসের নবম ওভারের প্রথম বলে সরাসরি থ্রোয়ে শেহজাদকে সাজঘরে পাঠিয়েছিলেন তানজিদ তামিম। ডিপ স্কয়ার লেগে ঠেলে দিয়েই দুই রানের জন্য ছুটেছিলেন তামিম ইকবাল। খানিক ধীরেই দৌড়াচ্ছিলেন শেহজাদ। সুযোগ বুঝে বাউন্ডারি থেকে থ্রো করে স্ট্যাম্প ভেঙে দেন তামিম, বিদায়ঘণ্টা বাজে ২৭ বলে ৪২ রান করা শেহজাদের। আগে ব্যাট করা ঢাকা নিজেদের ২০ ওভারে ১৮৩ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছিল। জবাবে আন্দ্রে ফ্লেচার ২৩ বলে ৪৫, রনি তালুকদার ৪২ বলে ৬১ ও থিসারা পেরেরা ১৮ বলে ৩৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেললে এক ওভার আগেই ম্যাচ জিতে যায় মুশফিকুর রহিমের নেতৃত্বাধীন খুলনা।