রাজধানী ঢাকার হযরত শাহজালাল ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে রাতে বিমানের ফ্লাইট অবতরণের ক্ষেত্রে লেজার লাইটের উৎপাতে বিমান অবতরণ চরম ঝুঁ;কি’তে পড়েছে।

প্লেন অবতরণের সময় সেটিকে লক্ষ্য করে লেজার রশ্মি নি;ক্ষে’পে’র ঘটনা গত কয়েক বছর ধরেই চলছে এবং এটি দিনকে দিন বেড়েই চলেছে।

একাধিক পাইলটের সাথে কথা বলে জানা গেল, অবতরণকারী বিমানকে লক্ষ্য করে লেজার লাইটের উৎ’পা’ত এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, যেকোন সময় বড় ধরণের দুর্ঘটনা হতে পারে।

পাইলটরা বলছেন, ঢাকা ছাড়াও চট্টগ্রাম এবং সৈয়দপুরেও বিমান অবতরণের সময় প্রায়ই লেজার লাইট মা;রা হয়।

পাইলট আবদুল্লা আল ফারুক বলেন, “যখন আমি বিমান ল্যান্ড করানোর প্রস্তুতি নিচ্ছি, তখন যদি লেজার লাইট এসে আমার চোখে পড়ে আমি কিছুক্ষণের জন্য অলমোস্ট ব্ল্যাংক হয়ে যাই।”

বিভিন্ন দেশি-বিদেশী বিমান সংস্থা এরই মধ্যে বিষয়টি নিয়ে বারবার অভিযোগ দিয়েছে। এদের মধ্যে সাউদিয়া এবং কাতার এয়ারওয়েজও রয়েছে বলে জানা গেছে।

পাইলটরা বলছেন, বিমান উড্ডয়নের সময় লেজার লাইটের আলো তেমন একটা প্রভাব ফেলে না।

বিমান অবতরণের সময় এটি সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে। “বেশিরভাগ অ্যা;ক’সি’ডে’ন্ট দেখবেন ল্যান্ডিং-এর সময় হয়। ল্যান্ডিং-এর সময় খুব প্রিসিশন (সুনির্দিষ্টভাবে) মনিটর করতে হয়।”

রাতে অবতরণের সময় রানওয়ের আলো দেখা পাইলটের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ফেডারেল এভিয়েশন বলছে, বিমান চলাচলের জন্য লেজার একটি ভয়াবহ হু;ম;কি।

এজন্য সেখানে পাঁচ বছরের জে;ল এবং আড়াই লাখ ডলার পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।

উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন লেজার যদি পাইলটের চোখে গিয়ে পড়ে তাহলে তিনি সাথে সাথে দৃষ্টিহীন হয়ে যেতে পারেন। -সূত্রঃ বিবিসি বাংলা