ওমান থেকে দেশে ফেরার অপেক্ষায় অর্ধলক্ষাধিক প্রবাসী

মধ্যপ্রচ্যের মধ্যে অন্যতম মুসলিম প্রধান একটি দেশ হল ওমান। সেখানে বাংলাদেশের অনেক প্রবাসী বাস করেন। ওমান সরকারের ঘোষিত সাধারণ ক্ষমার আওতায় সেখানে অবৈধভাবে থাকা অন্তত ৫০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন।

দেশে ফেরার অনুমতিপত্র বা আউটপাসের জন্য তাঁরা ওমানের রাজধানী মাসকাটে বাংলাদেশের দূতাবাস ও সালালায় ক;নস্যু;লে;টে ভিড় করছেন। দূতাবাস বলছে, দেশে ফেরার অপেক্ষায় আছেন ২৫ হাজার কর্মী।

বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান শ্রমবাজার মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমান। সরকারি হিসাবে, দেশটিতে এক লাখের বেশি বাংলাদেশি কর্মী কাজ করছেন। কিন্তু প্রবাসীরা বলছেন, এ সংখ্যা দেড় থেকে দুই লাখ। এর মধ্যে অন্তত ৫০ হাজার কর্মী অ;বৈ;ধ। তাঁদের বেশির ভাগেরই পাসপোর্ট ও ভিসার মে;য়াদ শেষ হয়েছে।

কারো শেষ হয়েছে (ইকামা) কাজের অনুমতি। কাজের ;চুক্তি শেষে নতুন চুক্তি নবায়ন না হওয়ায় অ;বৈ;ধ হয়ে দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন অনেকে। আবার বিভিন্ন অপরাধ করে কেউ কেউ দী;র্ঘদি;ন ধরে ওই দে;শের জেলে ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সাধারণত প্র;তি পাঁচ থেকে ১০ বছর পর অ;বৈ;ধ প্রবাসীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে সাধারণ ক্ষ;মা ঘোষণা করে ওমান সরকার।

এই সাধারণ ক্ষমার আওতায় বিভিন্ন মেয়াদে সা;জাপ্রা;প্ত আ;সা;মি, কাজের অনুমতির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও থেকে যাওয়া প্রবাসী, পাসপোর্ট ও ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া প্রবাসীদের নিজ দেশে ফেরত পা;ঠা;নোর সুযোগ দেওয়া হয়।

ওমানের সুবর্ণ জ;য়;ন্তী উদযাপন এবং করোনা মহামারির ফলে সৃষ্ট সং;ক;টে;র কারণে এ বছর অ;বৈ;ধ প্রবাসীদের ওমানে পুনরায় প্রবেশ না করার শর্তে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর সুযোগ দেয় দেশটির সরকার।

এর আওতায় গত ১৫ নভেম্বর থেকে আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ওমান ছেড়ে নিজ দেশে যেতে আগ্রহীদের জরিমানা থেকে পুরোপুরি অ;ব্যাহ;তি দেওয়া হয়। এর আগে ২০১৫ সালে প্রবাসীদের জন্য সাধারণ ক্ষ;মা ঘোষণা করা হয়।

ওমান সরকার সাধারণ ক্ষ;মা ঘোষণা করার পর মাসকাটে বাংলাদেশ দূতাবাস এবং সালালায় কনস্যুলেটে প্রবাসীরা ভি;ড় করছেন। অনুমতিপত্রের জন্য ভোররাত থেকে একাধিক লা;ই;নে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন হাজারো প্রবাসী। প্রতিদিন তিন থেকে চার হাজার প্রবাসী লা;ই;নে দাঁড়িয়ে অনুমতিপত্রের জন্য অপেক্ষা করছেন।

দূতাবাসের সূত্র মতে, ১৫ নভেম্বর থেকে পরবর্তী পাঁচ দিনে ২০ হাজারেও বেশি প্রবাসী স্লি;প সংগ্রহের জন্য লা;ই;নে দাঁড়ালেও এখন পর্যন্ত মাত্র সা;ত হা;জার জনকে স্লি;প দেওয়া হয়েছে। ২৫ থেকে ৩০ হাজার অ;বৈ;ধ কর্মী দেশে ফিরবেন বলে ধারণা করছে দূতাবাস। তবে এই সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন ওমানের মাসকাট ও সালালাতে স্লি;পের জন্য অ;পেক্ষার;ত ছয় বাংলাদেশি।