গ্লোব বায়োটেকের করোনার টিকা তালিকাভুক্ত করলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

বাংলাদেশের ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালস গ্রুপ এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড এর ক;রোনার ভ্যা;কসিন প্রি-ক্লি;নিক্যাল টে;স্টের জন্য তালিকাভুক্ত করেছে ডব্লিউএইচও। আজ ১৭ অক্টোবর শনিবার গ্লোব বায়োটেক এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইটেও তালিকাটি প্রকাশ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে গ্লোব বায়োটেক এর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গত ১৫ অক্টোবর গ্লোব বায়োটেকের আ;বিষ্কৃত ৩ টি ভ্যা;কসিনকে ক;রোনার ভ্যা;কসিন ক্যান্ডিডেট তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।

এতে বলা হয়, শুধু মাত্র গ্লোব বায়োটেকই বিশ্বের একমাত্র প্রতিষ্ঠান যাদের ৩ টি ভ্যা;কসিন ক্যান্ডিডেট তালিকায় স্থান পেয়েছে।

ভ্যা;কসিনগুলো হচ্ছে, D614G variant mFNA V’accine, D’NA Plasmid V’accine, A’donocirus Typo-5 Vcctor Caccine.

গ্লোব বায়োটেকের রিসার্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্টের প্রধান ডা. আসিফ মাহমুদ গত ১২ আগস্ট গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাতকারে ডিসেম্বরে বাংলাদেশের বাজারে ক;রোনা ভ্যা;কসিন নিয়ে আসার ব্যাপারে আশা প্রকাশ করেন। তার এই আশাবাদ প্রকাশের একমাস পর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রি-ক্লি;নিক্যাল টেস্টের তালিকাভুক্ত করলো।

প্রি-ক্লি;নিক্যাল ট্রা;য়ালের তালিকায় ইউনিভার্সিটি অব ক্যামব্রিজের ভ্যাকসিনসহ ১৫৬টি কোম্পানি রয়েছে।

গত ৫ অক্টোবর এক সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের উ;দ্ভাবিত টি;কা ‘ব্যানকোভিড’ নিয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের সিইও ড. কাকন নাগ। তিনি বলেন, আমাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে উদ্ভাবিত ‘ব্যানকোভিড’ টিকাটি ডি৬১৪জি ভ্যা;রিয়েন্টের বি;রু;দ্ধে প্রথম ও একমাত্র আ;বিষ্কৃত টি;কা। ইতোমধ্যে অ্যানিমেল মডেল ইঁদুরে নি;য়ন্ত্রিত ও পূর্ণাঙ্গ প্রি-ক্লি;নিক্যাল ট্রা;য়ালে ব্যানকোভিড সম্পূর্ণ নি;রাপদ ও কার্যকর হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। যার বিস্তারিত ফলাফল বায়ো-আর্কাইভে (biorxiv) প্রি-প্রিন্ট আকারে প্রকাশিত হয়েছে।

গ্লোব বায়োটেক জানায়, এনসিবিআই ভা;ইরাস ডাটাবেসে প্রাপ্ত দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ক;রোনার সব সি;কুয়েন্স বা;য়োইনফরমেটিক্স টুলসের মাধ্যমে বিশদ পর্যালোচনা করে তাদের টিকার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই টিকা সারাবিশ্বে অধিক কার্যকরী হবে বলে আশা করছে প্রতিষ্ঠানটি। ‘

প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বলা হয়, আমরা আমাদের টিকার টা;র্গেটের সম্পূর্ণ কো;ডিং সি;কুয়েন্স এ;নসিবিআই ডাটাবেসে জমা দিয়েছি, যা ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। আমাদের গবেষণাগারে আ;বিষ্কৃত টিকাটির বিশদ বি;শ্লেষণের পর প্রাথমিকভাবে ল্যা;বরেটরি অ্যানিমেল মডেলে (খরগোশ) প্র;য়োগ করে যথাযথ অ্যান্টিবডি তৈরিতে স;ন্তোষজনক ফলাফল পেয়ে টিকা গ;বেষণার সফলতা জাতিকে জানিয়েছি।

ক;রোনাভাইরাস প্র;তিরোধে বিশ্বজুড়ে গবেষকেরা একটি ভ্যা;কসিন তৈরির লক্ষ্যে ছুটছেন। এর মধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৪০টির বেশি ভ্যা;কসিনের ওপর নজর রেখেছে। ভ্যা;কসিন তৈরি ও পরীক্ষা করতে সাধারণত বেশ কয়েক বছর সময় লাগে। বেশ কয়েকটি ধাপ পেরিয়ে তবেই ভ্যা;কসিন ব্যবহারের উপযোগী হয়। তবে ক;রোনাভাইরাসের ভ্যা;কসিনের ক্ষেত্রে গ;বেষকেরা ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যেই তা সম্পন্ন করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। সূত্রঃ সময় টিভি